ড্রাগন সোয়েটার লিমিটেড
ড্রাগন সোয়েটার লিমিটেড, লিডল, নিউ ইয়র্কার এবং উলওয়ার্থস-এর একটি সরবরাহকারী, এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে কমপক্ষে ৫০০ জন কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে—যা তাদের প্রায় পুরো কর্মীসংখ্যার অর্ধেক—এবং তাদের বিচ্ছেদের আনুমানিক $১৩৩,২০০ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সব মিলিয়ে, শ্রমিকরা তাদের আইনত যা পাওনা ছিল তার মাত্র এক পঞ্চমাংশ পেয়েছে।
বন্ধ হওয়ার পর থেকে, কারখানার মালিক ড্রাগন গ্রুপ ক্রমাগত শ্রমিকদের ঋণ পরিশোধ করতে অস্বীকার করেছে, যদিও এটা স্পষ্ট যে কোম্পানির ঋণ পরিশোধ করার আর্থিক ক্ষমতা আছে। ড্রাগন গ্রুপ, যা আরোও দুটি অতিরিক্ত পোশাক কারখানার মালিক, সেইসাথে একটি জীবন বীমা কোম্পানি এবং একটি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার মালিক, যা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশ্যে লেনদেন করে এবং এতে ১২,০০০ জন কর্মী নিযুক্ত রয়েছে। ২০২০ সালের আগস্টে, ড্রাগন সোয়েটারের ম্যানেজিং ডাইরেক্টার বা ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা সোবহান রুবেল গর্ব করে বলেছিলেন, “আমার কারখানাগুলি সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বুক করা হয়েছে এবং আমার গ্রাহকরাও অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত আমার কারখানার যে ধারণক্ষমতা তার ৬০ শতাংশ বুক করেছেন।”
শ্রমিকরা ড্রাগন গ্রুপকে তার শ্রমিকদের প্রতি যে আইনি বাধ্যবাধকতা আছে, তা পূরণের জন্য অসংখ্য বার বিক্ষোভ দেখিয়ে চাপ দিয়েছে। অক্টোবর ২০২০ সালে, ড্রাগন গ্রুপ এর প্রাক্তন কর্মচারীদের আইনত তাদের পাওনা অর্থ সুরক্ষিত করার প্রচেষ্টার যখন একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে নিযুক্ত ছিলেন তখন তার উত্তরে ড্রাগন গ্রুপ একটি গুন্ডা দল পাঠায় তাদের উপর আক্রমণ করার জন্য। স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, হামলায় ১২ জন শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল।
সেপ্টেম্বর ২০২০ তে ড্রাগন সোয়েটারের একটি আর্থিক বিবৃতিতে ৩১শে মার্চ, ২০২০ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফ্যাক্টরির বর্তমান অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে জার্মান খুচরা বিক্রেতা লিডল থেকে বকেয়া পেমেন্ট তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে কারখানাটি ২০২০ সালের প্রথম দিকে খুচরা বিক্রেতার জন্য পণ্য তৈরি করছিল। লিডল দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করে, এবং দাবি করে যে যা বকেয়া প্রাপ্তি ছিল ড্রাগন সোয়েটারের, তা ২০১৯ সালেই মিটে গেছে। অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি উলওয়ার্থস এবং জার্মান ব্র্যান্ড নিউ ইয়র্কার-কেও ড্রাগন সোয়েটারের আর্থিক বিবৃতিতে ক্রেতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শেষের কোম্পানিটি, কারখানার সাথে তার সম্পর্কের বিষয়ে যোগাযোগের প্রতিক্রিয়া জানাতে ব্যর্থ হয়েছে।
এই ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে কোনটিই (বা অন্য কোন ক্রেতা যা আজ অবধি, অজ্ঞাত হতে পারে) তাদের শ্রমিকদের যারা এইসব কোম্পানি গুলির পোশাক সেলাই করেন, তাদের বিচ্ছেদ সুবিধা বা বেতন যা তাদের প্রাপ্য সেটা তারা যাতে পান, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেনি। ফলস্বরূপ, শ্রমিকরা তাদের বরখাস্তের সময় আইনত পাওনা বেশিরভাগ ক্ষতিপূরণ না পেয়ে পুরো একবছর কাটিয়ে দিয়েছেন।
Read More:
Join our newsletter
Sign up to the WRC’s mailing list to stay updated on our work.